1. editor@jagratajanata24.com : editor :
  2. info@holyit.net : jjanata24 :
  3. admin@gmail.com : newsjjanata24 :
মাল্টার বাগানে দশমিনায় স্বাবলম্বীর প্রত্যাশা - জাগ্রত জনতা ২৪
বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ১১:১৭ পূর্বাহ্ন
হেড লাইন :
তালতলীতে এসসিএমএফপি’র অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত আমতলীতে পারিবারিক সংঘর্ষে অসুস্থ্য বৃদ্ধের মৃত্যু! কলাপাড়ায় র‌্যাবের অভিযানে গ্রেফতার দুই ভ‚য়া ডাক্তাতের কারাদন্ড কুয়াকাটায় পৌরসভা নির্বাচনে কে হচ্ছে নৌকার মাঝী।। আ’লীগের মেয়র প্রার্থী বাছায়ে তৃণমূলের ভোট কলাপাড়ায় নির্মান শ্রমিকদের বন্ধু সভা আমতলীতে প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে কৃষক লীগের সভা অনুষ্ঠিত মির্জাগঞ্জে শিক্ষককে পেটালেন যুবলীগ নেতা দীপ্ত টিভিতে আসছে নতুন ধারাবাহিক নাটক ‘‌মাশরাফি জুনিয়র‘‌ গলাচিপায় অর্থের অভাবে চিকিৎসা করতে না পেরে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে স্বপন দত্ত গলাচিপায় জরাজীর্ণ ঘরে অসহায় আনোয়ার হোসেন

মাল্টার বাগানে দশমিনায় স্বাবলম্বীর প্রত্যাশা

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৫ বার পঠিত

দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ
পটুয়াখালীর দশমিনায় জনপদের পাশে ২শ’ ৩০টি মাল্টা চাষের বাগান করে স্বাবলম্বী হওয়ার প্রত্যাশা করছেন উপজেলা সদর ইউনিয়নের সাদিউল্লা আলম ।

মাল্টা বারি-১ উচ্চ ফলনশীল ও নিয়মিত ফলদানকারী ভিটামিন সি সমৃদ্ধ একটি ফল। পাকা ফল দেখতে আকর্ষণীয় এবং খেতে অনেক সুস্বাদু। ফাগুন মাসের মাঝামাঝি থেকে চৈত্র মাসের মাঝামাঝি পর্যায়ে মাল্টা গাছে ফুল আসা শুরু হয় এবং কার্তিক মাসে ফলন আহরণের উপযোগী হয়ে ওঠে। ফলনের প্রথম পর্যায়ে প্রত্যেকটি গাছে ৭০/৮০টি ফল ধরে এবং পূর্ণাঙ্গ বয়সে ১৫০/২০০টি ফল ধরে-যা স্থানীয় বাজারে এগুলো বিক্রি করা হয়ে থাকে।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের কাটাখালী গ্রামে সাদিউল্লা আলম তাঁর পত্রিক ৭একর জমিতে ৩/৪ বছর আগে দুই প্রজাতির মাল্টা বারি-১ ও পাকিস্তানি ২৩০টি চারা রোপণ করেন। পাশাপাশি একই জায়গায় অর্ধশতাধিক জারা লেবুর চারা, ১৫০টি পেঁপের চারা ও ২০টি ড্রাগন ফলের চারা লাগান। গাছ লাগানোর আগে গর্ত করে প্রতিটিতে ২০কেজি গোবর, ২০০ গ্রাম পটাস, ৪০০ গ্রাম টিএসপি, ২০০ গ্রাম চুন ও ১৫ থেকে ২০ কেজি মাটি মিশ্চিত করে নেন। চারা রোপণের পর প্রতি ৮ থেকে ১০ দিন পর গাছের গোড়া নিড়ানি দিয়ে পরিষ্কার করতে হয়। গাছে ফল ধরার পর পোকা দমনের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য সপ্তাহে একবার কীটনাশক ব্যবহার করতে হয়। এছাড়াও বছরে তিনবার সার হিসেবে ইউরিয়া, টিএসপি, জৈব, এমওপি এবং মাটির ক্ষরতা রোধ করার জন্য ডলসন ওষুধ ব্যবহার করেন।

সাদিউল্লা আলম মাল্টা চাষ নিয়ে জানান, ৩/৪ বছর আগে তার এক বন্ধুর পরামর্শে নিজের অর্থায়নে দুই প্রজাতির মাল্টা, পেঁপে, ড্রাগন ফল ও লেবুর চারা রোপণ করেন। চলতি বছর তাঁর সব গাছেই মাল্টা ও কমলা ধরেছে। এখনই খাওয়ার পুরোপুরি উপযোগী সময় হয়েছে। তবে এবছর মাল্টা, কমলা ও পেঁপেসহ অন্যান্য ফল ৪ লক্ষাধিক টাকা বিক্রি করার আশা প্রকাশ করেন। তিনি আরও বলেন মাল্টা বাগান পরিচর্যার জন্য ৩জন লোক আছেন মাস করা বেতনে ।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাফর আহম্মেদ বলেন, গ্রামে মাল্টার বাগান করে লাভবান হচ্ছেন তিনি। আমাদের অফিস থেকে সব সময় পরিচর্যার পরামর্শ দিয়ে আসছি।

এ জাতীয় আরো খবর
Developed by