1. editor@jagratajanata24.com : editor :
  2. info@holyit.net : jjanata24 :
  3. admin@gmail.com : newsjjanata24 :
পাথরঘাটায় ধর্ষণ মামলায় সাক্ষীর যাবজ্জীবন -আসামীরা খালাস - জাগ্রত জনতা ২৪
সোমবার, ১৭ মে ২০২১, ০৬:০১ পূর্বাহ্ন
হেড লাইন :
গলাচিপা পৌরসভার রাস্তায় বেড়া, ঘরবন্দী কয়েকটি পরিবার জামালপুরে সাংবাদিকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, হত্যার হুমকি আড়পাঙ্গাশিয়া ব্রিজের মেরামত ও সংস্কার কাজ পরিদর্শন করেন ইউএনও রাতের আধারে উপজেলা পরিষদের অভ্যন্তরের অর্ধশত বছরের একটি মেহগনি গাছ উধাও চাল কেলেঙ্কারীতে অভিযুক্ত ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান গ্রেফতার নিজ দোকানের সামনে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা গলাচিপায় মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার নির্মিত ঘর পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাংবাদিকরা হলেন জাতির বিবেক, সমাজের দর্পণ …কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহাগ কুয়াকাটায় মাইকিং করে দর্শনার্থীদের ফেরৎ পাঠালেন ট্যুরিস্ট পুলিশ

পাথরঘাটায় ধর্ষণ মামলায় সাক্ষীর যাবজ্জীবন -আসামীরা খালাস

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২০
  • ৯৭০ বার পঠিত
জাফর ইকবাল,পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

বরগুনার পাথরঘাটায় একটি ধর্ষণ মামলার সাক্ষীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে আসামিদের খালাস দিয়েছে আদালত।
আজ রোববার (০১ নভেম্বর) বরগুনার ও শিশু আদালতের বিচারক মো হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ের দন্ডিতকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়

রায়ে দন্ডপ্রাপ্ত আসামীর নাম মোঃ এমাদুল হক। তিনি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার বাইনচটকি গ্রামের সেকান্দার জোমাদ্দারের ছেলে ও সাবেক ইউপি সদস্য। আর খালাস প্রাপ্তরা হল, একই এলাকার খবির গাজীর ছেলে মোহসিন ও অহেদ খানের ছেলে মোয়াজ্জেম।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি এক গৃহবধূ তার কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় দন্ডপ্রাপ্ত আসামী এমাদুল হক চার নম্বর সাক্ষ্য ছিল।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, অভিযোগকারীর দশম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়ে পড়াশোনা শেষে ২০১৫ সালে ১৭ ফেব্রুয়ারী রাত ১১ টায় প্রকৃতির সাড়া দিতে বাহিরে বের হলে খালাস প্রাপ্ত আসামীরা তার মেয়েকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন।

এরপর বাদী ঘুম থেকে উঠে তার মেয়ের রুমে গিয়ে মেয়েকে না দেখে বাহিরে খোজঁ করতে গিয়ে মেয়ের জুতা ও ওড়না খুজেঁ পান। এরপর খোঁজাখুঁজি করে তিনি সুপারি বাগান থেকে তার মেয়েকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন।

এরপর মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ এ মামলার সাক্ষী এমাদুল হককে অভিযুক্ত করে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে । মামলার এজাহারে চার নম্বর সাক্ষী ছিল এমাদুল হক। কিন্তু এ তদন্ত প্রত্যাখ্যান করে বাদী পুনরায় তদন্তের আবেদন করলে ইমাদুলকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে পুনরায় চার্জশিটে অভিযুক্ত করা হয় খালাস পাওয়া মহসিন ও মোয়াজ্জেমকে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মূলত ওই গৃহবধূর মেয়েকে ধর্ষণ করেন এ মামলার চার নম্বর সাক্ষী এমাদুল। এরপর পূর্বশত্রুতার জেরে তিনি এ ধর্ষণের অভিযোগ চাপিয়ে দেন তার প্রতিপক্ষ মহসিন ও মোয়াজ্জেমের কাঁধে। আর নির্দোষ দুই অভিযুক্তকে ফাঁসাতে সহায়তা করেন ওই গৃহবধূ।

পরে মামলার বাদী আদালতে অভিযোগ করেন, এ মামলার সাক্ষী এমাদুল তার কন্যাকে ধর্ষণ করে। এরপর এ ধর্ষণের অভিযোগ তার প্রতিপক্ষ মহসিন ও মোয়াজ্জেমের কাঁধে তুলে দিতে নানা রকম ভয় দেখায়।  তাই তিনি নিরুপায় হয়ে মহসিন ও মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন। ঘটনা জানাজানির পর এ মামলায় সাক্ষী এমাদুল আটমাস কারাভোগও করেন। পরে আদালত বাদী ও সাক্ষীদের সাক্ষ্য পযার্লোচনা করে এমাদুল হককে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেন।

এ বিষয়ে আসামীর আইনজীবী আসাদুজ্জামান  বলেন, এই রায়ের বিরুদ্ধে আমরা উচ্চ আদালতে আপীল করব। এখন পর্যন্ত রায়ের কপি আমরা পাইনি।

এ বিষয়ে রাষ্ট্র পক্ষের বিশেষ পিপি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এটি একটি জঘন্যতম ঘটনা। এমাদুল হক ওই সময় ইউপি সদস্য ও আমাদের এডভোকেট ক্লার্ক ছিল। প্রতিবেশীর সঙ্গে দ্বন্দ্ব থাকার কারনে একটি স্কুল পড়ুয়া নাবালিকা মেয়েকে নিজে ধর্ষণ করে অন্যদের বিরুদ্ধে বাদীকে বাধ্য করে মিথ্যা মামলা করায়। এই জঘন্যতম ঘটনায় এমাদুল হকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কাম্য ছিল।

এ জাতীয় আরো খবর
Developed by
error: Content is protected !!