সর্বশেষ আপডেট
বরগুনায় স্বেচ্ছাসেবকদলের ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত  বেতাগীতে সৎ ভাইয়ের জমি জাল হলফনামা করায় সাবেক ইউপি সদস্য কারাগারে উপকূল বাঁচাতে সবুজের লড়াই, বরগুনায় পূবালী ব্যাংকের ২১শ’ বৃক্ষরোপণ বরগুনার সেই এসিল্যান্ড ডেপুটি স্পিকারের নামে জাল ডিও লেটার করায় প্রত্যাহার পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মুখস্থের সাফল্য, ষষ্ঠ শ্রেণিতে গিয়ে কেন ভেঙে পড়ে শিক্ষার্থীরা? বরগুনায় এমইপি গ্রুপের সহযোগী সম্মেলন অনুষ্ঠিত সংরক্ষিত বনে কেওড়া গাছ কেটে রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা মামলায় ইউপি সদস্যসহ ৫ জন জেলে তালতলী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্বাস্থ্যঝুঁকি, নতুন সরকারের প্রতি পুনর্বিবেচনার আহ্বান” উপকূল স্পেশালাইজড ডেন্টাল কেয়ারের উদ্যোগে বরগুনায় ওরাল হেলথ ও ডেন্টাল অ্যাওয়ারনেস ক্যাম্প অনুষ্ঠিত আর ডি এফ এর সেফগার্ডিং সচেতনতা সপ্তাহ ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে প্রেস বিজ্ঞপ্তি

তাড়াইলের কৃষকের স্বপ্ন সরিষার হলুদ হাসিতে

  • আপডেট হয়েছে : Saturday, December 20, 2025
  • 223 বার দেখেছেন

তাড়াইল (কিশোরগঞ্জ) উপজেলা প্রতিনিধি:

কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে চলতি মৌসুমে সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। সরিষা ক্ষেতের চেহারা দেখে আনন্দে মুখরিত কৃষক। সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন হাওরের দিকে তাকালে মনে হয় ফসলের মাঠ যেন সেজেছে হলুদের সাজে। মাঠ জুড়ে সরিষা ফুলের হলুদ রাজার দেশে মৌমাছির মধু সংগ্রহের গুঞ্জনে মুখরিত ফসলের মাঠ। সরিষার ফুলে বাতাসের দোলায় দোল খাচ্ছে কৃষকের রঙিন স্বপ্ন।

উপজেলা কৃষি অফিস জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে ১ হাজার ৭২০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু সরিষা চাষ হয়েছে ২ হাজার ৩৩১ হেক্টর জমিতে।

উপজেলার কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সরিষা কেটে ওই জমিতে আবার বোরো আবাদ করা যায়। এতে অল্প সময়ে একই জমিতে দুটি ফসলের চাষে লাভবান হচ্ছেন কৃষক। একসময় কৃষকরা আমন ধান কাটার পর জমি পতিত ফেলে রাখতো। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ও কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, দেশের অন্যতম একটি তেল ও মসলা জাতীয় খাদ্য শস্যের নাম সরিষা। সরিষা খুবই লাভজনক ফসল। অতি অল্প সময়ে, অল্প পুঁজিতে কৃষকরা লাভবান হন।

উপজেলার তাড়াইল-সাচাইল ইউনিয়নের কালনা গ্রামের কৃষক হাবিবুর রহমান জানান, সরিষা আবাদে সেচের প্রয়োজন না হওয়ায় কম সময়ে আবাদ করা যায়। অল্প খরচ ও স্বল্প সময়ে সরিষার ফলন ঘরে তোলা যায়। সরিষা বিক্রি করে বোরো আবাদের তেল ও সার কেনার টাকা জোগাড় হয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, উপজেলা কৃষি বিভাগের লোকজন সঠিকভাবে পরামর্শ দিয়ে আমাকে সহযোগিতা করছেন। ফলন ভালো হবে আশা করছি। উপজেলার কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, কৃষকরা টরি ৭, বারি সরিষা ১৪, ১৭, বিনা ৯, ১১, ১৮ আবাদ করেছে। বীজ বপনের ৭০ দিনের মধ্যেই ক্ষেত থেকে সরিষা সংগ্রহ করা যায়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ বিকাশ রায় ইনকিলাবকে জানান, সরিষা মূলত একটি তেল জাতীয় ফসল। স্বল্প সময়ের মধ্যে কৃষককে অধিক ফলন পেতে আমি এবং আমার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। আশা করছি কোনো প্রকার প্রাকৃতিক বিপর্যয় না ঘটলে এবার এই উপজেলায় সরিষার বাম্পার ফলন হবে।

এ বিভাগের আর খবর
Developed by:  ©২০২৬ জাগ্রত জনতা কর্তৃক সকল স্বত্ব সংরক্ষিত
error: Content is protected !!