জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সদিচ্ছা থাকলে শুধু দাপ্তরিক কাজ নয়, উন্নয়নমূলক কার্যক্রমেও নজির স্থাপন করা সম্ভব। তারই প্রমাণ সৃষ্টি করেছেন বরগুনার আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রোকনউজ্জামান খান।
বরগুনা জেলা তথা দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও বৃহত্তম উপজেলা আমতলী। স্বাধীনতার পাঁচ দশক অতিক্রম করলেও এখানে নির্মিত হয়নি শহীদ মিনার, স্মৃতিস্তম্ভ ও মুক্ত মঞ্চের মতো জাতীয় ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা। দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত ছিল উপজেলা পরিষদের মিলনায়তনটি; আর শিশু পার্কটি পরিণত হয়েছিল গোয়ালঘরে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোকনউজ্জামান খান যোগদানের প্রথম সভাতেই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এসব সমস্যার কথা তুলে ধরেন এবং দ্রুত সমাধানের দাবি জানান। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন স্বল্প সময়েই প্রয়োজনীয় স্থাপনা নির্মাণ ও সংস্কারের ব্যবস্থা করবেন।
প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে তিনি সময় নষ্ট করেননি। উপজেলার প্রাণকেন্দ্র পরিষদ চত্বরেই নোংরা নর্দমা ও পানিবদ্ধ জায়গাকে রূপান্তর করেছেন সুশৃঙ্খল ও পরিকল্পিত পরিসরে। ইতোমধ্যে নতুনভাবে নির্মিত হয়েছে উপজেলা পরিষদের মিলনায়তন, সংস্কার শেষে উদ্বোধন করা হয়েছে শিশু পার্কও। শহীদ মিনার, স্মৃতিস্তম্ভ ও মুক্ত মঞ্চ। এই তিনটি স্থাপনাও এখন দৃশ্যমান রূপ পেতে শুরু করেছে।
উপজেলার সাধারণ মানুষের কাছে তাঁর সদালাপী স্বভাব, দায়িত্বশীলতা, দক্ষতা ও উন্নয়নমুখী কার্যক্রম তাঁকে করে তুলেছে একজন জনপ্রিয় ও জনবান্ধব প্রশাসনিক কর্মকর্তা। ফলে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের আস্থার জায়গায় তিনি ইতোমধ্যেই জায়গা করে নিয়েছেন।
স্থানীয়রা আশা করছেন, বর্তমান উন্নয়নধারা অব্যাহত থাকলে আমতলী আরও আধুনিক, ঐতিহ্যসমৃদ্ধ ও সংস্কৃতিকেন্দ্রিক রূপে গড়ে উঠবে