সর্বশেষ আপডেট
বরগুনার সেই এসিল্যান্ড ডেপুটি স্পিকারের নামে জাল ডিও লেটার করায় প্রত্যাহার পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মুখস্থের সাফল্য, ষষ্ঠ শ্রেণিতে গিয়ে কেন ভেঙে পড়ে শিক্ষার্থীরা? বরগুনায় এমইপি গ্রুপের সহযোগী সম্মেলন অনুষ্ঠিত সংরক্ষিত বনে কেওড়া গাছ কেটে রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা মামলায় ইউপি সদস্যসহ ৫ জন জেলে তালতলী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্বাস্থ্যঝুঁকি, নতুন সরকারের প্রতি পুনর্বিবেচনার আহ্বান” উপকূল স্পেশালাইজড ডেন্টাল কেয়ারের উদ্যোগে বরগুনায় ওরাল হেলথ ও ডেন্টাল অ্যাওয়ারনেস ক্যাম্প অনুষ্ঠিত আর ডি এফ এর সেফগার্ডিং সচেতনতা সপ্তাহ ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট, যুবক গ্রেপ্তার। জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিয়ে ও সামাজিক অনুষ্ঠানে আলোকসজ্জা নিষিদ্ধ চূড়ান্ত হলো ২০২৬ বিশ্বকাপের ৪৮ দল, কোন গ্রুপে কে?

ভারতে হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীদের ক্রিসমাসে হামলা, বহির্বিশ্বে ব্যাপক সমালোচনা

  • আপডেট হয়েছে : Friday, December 26, 2025
  • 192 বার দেখেছেন

অনলাইন ডেস্ক:

ভারতে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ক্রিসমাসকে ঘিরে একাধিক হামলা ও হয়রানির অভিযোগ দেশটির ভেতরে ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

মানবাধিকার সংগঠন, সংখ্যালঘু অধিকারকর্মী এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক বলছেন, এসব ঘটনায় উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীর জড়িত থাকার অভিযোগ ্আবারও ভারতের ধর্মীয় সহনশীলতা ও বহুত্ববাদী চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

স্থানীয় গণমাধ্যম ও অধিকারকর্মীদের তথ্য অনুযায়ী, ক্রিসমাস উদযাপনের সময় কয়েকটি রাজ্যে গির্জায় প্রার্থনায় বাধা, ধর্মীয় সমাবেশে হামলা, ভাঙচুর এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ঘটেছে। কোথাও কোথাও উৎসব উদযাপন বন্ধ করতে চাপ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এসব ঘটনায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা উগ্র হিন্দুত্ববাদী স্লোগান ব্যবহার করেছে। যদিও পুলিশ কিছু স্থানে হস্তক্ষেপ করেছে, সমালোচকদের দাবি—প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া অনেক ক্ষেত্রে দেরিতে এসেছে বা যথেষ্ট কঠোর ছিল না।

এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো ভারতের সংবিধানপ্রদত্ত ধর্মীয় স্বাধীনতার বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

তাদের মতে, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের মৌলিক দায়িত্ব। ক্রিসমাসের মতো শান্তিপূর্ণ ধর্মীয় উৎসবে হামলার অভিযোগ সেই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার ইঙ্গিত দেয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সাংবাদিক, গবেষক ও বিশ্লেষকদের অনেকেই একে বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক চাপ ও ভয়ের পরিবেশ তৈরির অংশ হিসেবে বর্ণনা করছেন।

তাদের মতে, উগ্র হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির উত্থান ভারতের বহুধর্মীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

ভারত সরকারের পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার আশ্বাস ও তদন্তের কথা বলা হলেও সমালোচকদের দাবি, দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা না নেওয়া হলে এ ধরনের ঘটনা বন্ধ হবে না।

তারা আরও বলছেন, আন্তর্জাতিক মহলে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং দেশটি আবারও উগ্রবাদ ও অসহিষ্ণুতার অভিযোগে কাঠগড়ায় দাঁড়াচ্ছে।

সব মিলিয়ে, ক্রিসমাসকে কেন্দ্র করে এসব হামলার অভিযোগ ভারতকে বিশ্বদরবারে কঠিন প্রশ্নের মুখে ফেলেছে—ধর্মীয় সহনশীলতা, সংখ্যালঘু নিরাপত্তা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় দেশটি আদৌ কতটা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এ বিভাগের আর খবর
Developed by:  ©২০২৬ জাগ্রত জনতা কর্তৃক সকল স্বত্ব সংরক্ষিত
error: Content is protected !!