সর্বশেষ আপডেট
বরগুনার সেই এসিল্যান্ড ডেপুটি স্পিকারের নামে জাল ডিও লেটার করায় প্রত্যাহার পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মুখস্থের সাফল্য, ষষ্ঠ শ্রেণিতে গিয়ে কেন ভেঙে পড়ে শিক্ষার্থীরা? বরগুনায় এমইপি গ্রুপের সহযোগী সম্মেলন অনুষ্ঠিত সংরক্ষিত বনে কেওড়া গাছ কেটে রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা মামলায় ইউপি সদস্যসহ ৫ জন জেলে তালতলী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্বাস্থ্যঝুঁকি, নতুন সরকারের প্রতি পুনর্বিবেচনার আহ্বান” উপকূল স্পেশালাইজড ডেন্টাল কেয়ারের উদ্যোগে বরগুনায় ওরাল হেলথ ও ডেন্টাল অ্যাওয়ারনেস ক্যাম্প অনুষ্ঠিত আর ডি এফ এর সেফগার্ডিং সচেতনতা সপ্তাহ ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট, যুবক গ্রেপ্তার। জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিয়ে ও সামাজিক অনুষ্ঠানে আলোকসজ্জা নিষিদ্ধ চূড়ান্ত হলো ২০২৬ বিশ্বকাপের ৪৮ দল, কোন গ্রুপে কে?

‘বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন ট্রাম্প’: ইরানি বিক্ষোভকারীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা

  • আপডেট হয়েছে : Sunday, January 18, 2026
  • 288 বার দেখেছেন

অনলাইন ডেস্ক:

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক নীতি ও পিছু হটার সিদ্ধান্তে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইরানি বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে সরাসরি সামরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হলেও শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের অবস্থান পরিবর্তনকে তারা ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ এবং ‘প্রতারণা’ হিসেবে দেখছেন।

টাইম ম্যাগাজিনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বেশ কয়েকজন ইরানি নাগরিকের সাক্ষাৎকার তুলে ধরা হয়েছে, যারা ট্রাম্পের এই দ্বিমুখী আচরণে নিজেদের ‘প্রতারিত’ মনে করছেন।

জানুয়ারির শুরুতে ইরানে অর্থনৈতিক সংকটের প্রেক্ষিতে শুরু হওয়া বিক্ষোভের সময় ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, “সাহায্য আসছে”। তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা হলে আমেরিকা ‘লকড অ্যান্ড লোডেড’ (সশস্ত্রভাবে প্রস্তুত) অবস্থায় রয়েছে।

কিন্তু বৃহস্পতিবার ট্রাম্প হঠাৎ সুর বদলে ফেলেন। তিনি দাবি করেন যে, ইরান সরকার রাস্তায় বিক্ষোভকারীদের হত্যা বন্ধ করতে রাজি হয়েছে। এই ঘোষণার পর বিক্ষোভকারীদের মধ্যে তীব্র হতাশা ছড়িয়ে পড়ে। তেহরানের একজন স্কুল শিক্ষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “তিনি (ট্রাম্প) শুধু বাইরে থেকেই হলুদ নন, তার ভেতরটাও হলুদ (কাপুরুষ)।”

বিক্ষোভকারীদের একজন বলেন, “যখন তিনি বললেন যে ইরান সরকার তাকে কথা দিয়েছে আর কোনো হত্যা বা ফাঁসি হবে না, তখন আমরা স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। সবাই বলছে, এই লোকটা আমাদের স্রেফ কামানের গোলা হিসেবে ব্যবহার করেছে। সে আমাদের বোকা বানিয়েছে।”

অন্য একজন ব্যবসায়ী জানান, তিনি ট্রাম্পের সেই ‘হেল্প ইজ অন ইটস ওয়ে’ পোস্ট দেখে স্বজনদের খুশির সংবাদ দিয়েছিলেন। এখন তার মনে হচ্ছে ট্রাম্প তাদের পায়ের তলা থেকে কার্পেট টেনে নিয়েছেন। তিনি ওবামা প্রশাসনের চেয়েও ট্রাম্পকে ‘ভয়াবহ’ বলে অভিহিত করেন।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন যে, বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা তেহরানের নেই। এরপরই ট্রাম্প তার আক্রমণাত্মক সুর নরম করেন এবং দাবি করেন যে, ইরান সরকার হত্যাকাণ্ড বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দেন।

বিশ্লেষকদের মতে, বিদেশি শক্তির আশ্বাসে যারা রাজপথে নেমেছিলেন, তারা এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। বিক্ষোভকারীদের অনেকেই মনে করছেন, ট্রাম্প প্রশাসন কেবল তাদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করেছে।

ট্রাম্পের এই আচরণে তেহরানের রাজপথ এখন অনেকটাই জনশূন্য। তারা এখন বুঝতে পারছেন যে, বিদেশি শক্তির ইন্ধনে মাঠে নামা ছিল তাদের একটি বড় ভুল।

এ বিভাগের আর খবর
Developed by:  ©২০২৬ জাগ্রত জনতা কর্তৃক সকল স্বত্ব সংরক্ষিত
error: Content is protected !!